কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫ এ ০৭:১৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ইতিহাস ও কার্যাবলি
লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স, এএফপি, তাস- এর কর্মপদ্ধতির আদলে আন্তর্জাতিক মানের একটি জাতীয় বার্তা সংস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তদানিন্তন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১/৭২ সাচিবিক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে “দি এসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্থান (এপিপি)”-এর ঢাকাস্থ আঞ্চলিক কার্যালয়কে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) নামকরণ করা হয়। এপিপি’র ঢাকাস্থ আঞ্চলিক কার্যালয় থেকেই নতুন নামকরণে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় বার্তা সংস্থা ‘বাসস’-এর যাত্রা শুরু হয়।
১৯৭৯ সালের ২০ নং অধ্যাদেশ অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা অধ্যাদেশ, ১৯৭৯ মাধ্যমে জাতীয় বার্তা সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় রূপান্তর করা হয় এবং সংস্থার ব্যবস্থাপনা ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা বোর্ডের উপর ন্যস্ত করা হয়।
পঞ্চম সংশোধন আইন ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) দ্বারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হইতে ১৯৭৯ সনের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সামরিক ফরমান দ্বারা জারীকৃত অধ্যাদেশসমূহ বাতিল ঘোষিত হয়। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা অধ্যাদেশ, ১৯৭৯ এর বিধানাবলী বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে তদস্থলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৬৫ নং আইন) প্রণীত হয়। বাসস আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সংস্থার পরিচালনা ও প্রশাসন ১৩ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা বোর্ডের উপর ন্যস্ত হয়।
বাসস আইন, ২০১৮ অনুযায়ী বাসস’র দায়িত্ব ও কার্যাবলী:
(ক) আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ দেশ-বিদেশের সংবাদ সংগ্রহ করিয়া গণমাধ্যমের সাহায্যে উহা বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের জনগণের নিকট প্রচার;
(খ) জাতীয় সংবাদ বহির্বিশ্বে সম্প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত বাংলাদেশের জাতীয় বার্তা সংস্থা হিসাবে দায়িত্ব পালন;
(গ) সমগ্র বিশ্বে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, বানিজ্যিক, প্রযুক্তিগত, সংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে সকল সংবাদ সংগ্রহ ও বিনিময়;
(ঘ) সংবাদ সংগ্রহ ও বিনিময়ের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিগণের প্রশিক্ষণের জন্য দেশিয় বা বৈদেশিক গণমাধ্যম বা বার্তা সংস্থার সহিত চুক্তি সম্পাদন;
(ঙ) দেশে বা দেশের বাহিরের গণমাধ্যম বা বার্তা সংস্থার সকল সংবাদ, ফিচার, ছবি বা ভিডিও চিত্র ক্রয়-বিক্রয়;
(চ) সংস্থার সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কর্মসূচি গ্রহণ;
(ছ) সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগণকে অবহিত করিবার উদ্দেশ্যে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি), তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার কার্যক্রমের সহিত সমন্বয় সাধন; এবং
(জ) উপরিউক্ত দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যাদি সম্পাদন।